Wednesday, February 18, 2026

দেশ বিক্রি করে ক্ষমতায় তারেক, বিদেশি নাগরিক খলিলকে স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী

Share

বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র তথাকথিত বাণিজ্য ও কৌশলগত সমঝোতার আড়ালে দেশের নীতিনির্ধারণ ব্যবস্থা কার্যত বিদেশি নিয়ন্ত্রণে। ৩২ পাতার চুক্তির ভাষা বিশ্লেষণে দেখা যায়, এটি কোনো সমতা ভিত্তিক নেগোসিয়েশন নয়; বরং একতরফা নির্দেশনার তালিকা।

তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতার বন্দোবস্তে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবেই বিদেশি নাগরিক খলিলকে একটি কৌশলগত ও সংবেদনশীল মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

চুক্তিতে ক্রিটিকাল মিনারেল, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ক্রয়, এমনকি কোন দেশ থেকে অস্ত্র কেনা যাবে না, সেসব বিষয়েও শর্ত আরোপ করা হয়েছে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র শুধু সীমিত পরিসরে টেক্সটাইল খাতে জিরো ট্যারিফের জন্য একটি “মেকানিজম গঠনের প্রতিশ্রুতি” দিয়েছে, যা ভাঙলে শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সুবিধা নয়, শর্তই মুখ্য।

এর ফলে বাংলাদেশ-এর ওপর ভবিষ্যৎ নিষেধাজ্ঞার পথ আরও প্রশস্ত হলো এবং একটি কার্যকর, স্বাধীন সরকারের সম্ভাবনা কার্যত সংকুচিত হয়ে গেল।

এটি নির্বাচন বা সরকার পরিবর্তনের প্রশ্ন নয়; এটি রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ধরে রাখার প্রশ্ন।

আরো পড়ুন

সদ্য প্রকাশিত