Share
বাংলাদেশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নিয়ে বহু আগেই সতর্ক করেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন—একটি প্রভাবশালী পশ্চিমা শক্তি এই দ্বীপের প্রতি বিশেষ আগ্রহী, এবং তাদের বৃহত্তর ভূরাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ অঞ্চলকে ব্যবহার করতে চায়।
বর্তমান পরিস্থিতি সেই আশঙ্কাকেই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। সীমান্তঘেঁষা এলাকায় বিদেশি ড্রোনের অনুপ্রবেশ, মিয়ানমার সীমান্তে অস্থিতিশীলতা, এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সক্রিয় উপস্থিতি—সব মিলিয়ে একটি বড় ধরনের পরিকল্পিত তৎপরতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার, সামরিক ও কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা—এসব লক্ষ্য পূরণে ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে যে আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল—বাংলাদেশের পাশেই একটি ভিন্নধর্মী রাষ্ট্র কাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা।
বিদেশি ড্রোনের অনুপ্রবেশ, সীমান্তে অস্থিরতা—সবকিছু মিলিয়ে এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত ভূরাজনৈতিক খেলার অংশ হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।
বাংলাদেশ কোনো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আওয়ামী লীগ সরকার অতীতের মতোই আজও কঠোর ও আপসহীন। যেকোনো ষড়যন্ত্র, যেকোনো অনুপ্রবেশ এবং যেকোনো অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র যথাযথ ও শক্ত অবস্থান নেবে।
আরো পড়ুন

