Friday, January 30, 2026

বিশ্বের চোখে বাংলাদেশ সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের দানবীয় রূপ

Share

আজকের বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টিতে এক সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। যেখানে সাধারণ মানুষ জীবনযাপনে নিরাপদ নয়, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জঙ্গিদের ভয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে। র‌্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী এখন মাঠে নামলেও জঙ্গিদের দাপট ঠেকাতে পারছে না; বরং তারা অনেক ক্ষেত্রে প্রথম শিকার হচ্ছেন।

দেশের প্রতিটি শহর, প্রতিটি গ্রাম এখন জঙ্গি কার্যক্রমের জন্য উন্মুক্ত। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, হত্যাকাণ্ড—সবকিছুই ক্রমশ স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। রোহিঙ্গা জঙ্গি, স্থানীয় সন্ত্রাসী, পাকিস্তান, আফগানিস্তান এবং তুরস্কের সন্ত্রাসী কার্যক্রম দেশকে ক্রমশ আন্তর্জাতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বাস হারাচ্ছে। কিছু দেশ তাদের কূটনৈতিক মিশনের সদস্যদের পরিবার দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। অনেকে অচিরেই নিরাপত্তার কারণে দূতাবাস সীমিত করতে বা বন্ধ করতে পারে। এর অর্থ একটাই—বাংলাদেশের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অবস্থা আন্তর্জাতিকভাবে অবিশ্বাসের শিকার।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, এবং জনগণের জীবনযাত্রা সবই বিপন্ন হবে। সাধারণ মানুষই এই অস্থিতিশীলতার শিকার হবে; ক্ষমতার খেলোয়াড়রা নিজের সুবিধা অনুযায়ী পরিস্থিতি ব্যবহার করবে।

যদি রাষ্ট্র দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, জঙ্গিরা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে, আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা ব্যর্থ হবে, এবং বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে এক সন্ত্রাসী রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত হবে।

এটাই হচ্ছে ইউনুস সরকারের যুগ, যেখানে জঙ্গিরা যেন দেশের রাজনীতিতে, অর্থনীতিতে এবং সামাজিক জীবনে এক স্বর্ণালী সময় কাটাচ্ছে। সাধারণ মানুষ আর নিরাপদ নয়। প্রতিটি মহল্লা, প্রতিটি রাস্তাই ঝুঁকিপূর্ণ।

জীবনযাপন হয়ে গেছে ভয়ঙ্কর, নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ আজ বিপন্ন। এখনই সময় রাষ্ট্রের দায়িত্বজ্ঞান ও শক্তি পুনরুদ্ধার করার, নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং সাধারণ মানুষকে এই অন্ধকার থেকে উদ্ধার করার। অন্যথায়, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ শুধু অন্ধকার নয়, এটি আন্তর্জাতিকভাবে হুমকিপূর্ণ, অস্থিতিশীল এবং সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পাবে।

আরো পড়ুন

সদ্য প্রকাশিত