Sunday, November 30, 2025

কূটনৈতিক ব্যর্থতা আর বিদেশ সফর, ড. ইউনুসের আচরণে জাতির লজ্জা

Share

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেমন কূটনৈতিক দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল, তেমনি নেতৃত্বের আচরণও তার প্রতিফলন ঘটায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুসের বিদেশ সফরগুলো নিয়ে দেশে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তিনি গত ১৪ মাসে ১১ বার বিদেশ সফর করেছেন, অথচ এসব সফরের কোনোটি থেকেই রাষ্ট্র বা জনগণের জন্য ইতিবাচক ফলাফল আসেনি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণেই বহু দেশ বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি গ্রহণ বন্ধ করেছে। ইউনুস ক্ষমতা দখলের পর অন্তত ২০টি দেশ বাংলাদেশের নাগরিকদের ওপর ভিসা নীতিতে কড়াকড়ি আরোপ করেছে। একই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগে এসেছে স্থবিরতা, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করে তুলছে।

সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় হলো, এনজিওর আদলে গঠিত এক সংস্থার আমন্ত্রণে বিদেশ সফরকালে ড. ইউনুস কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী বা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি। বরং সর্বশেষ ইতালি সফরে তিনি রোম শহরের একজন মেয়রের অফিসে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন—যা রাষ্ট্রের প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদা ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে একেবারেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ।

দেশবাসী আজ প্রশ্ন তুলছে—বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা যদি বিদেশে গিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফেরেন, তাহলে রাষ্ট্রের মর্যাদা কোথায় থাকে? কূটনৈতিক প্রটোকল অনুযায়ী এ ধরনের আচরণ কেবল ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা নয়, বরং গোটা জাতির ভাবমূর্তিকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

জাতি আজ চরম বিব্রত ও উদ্বিগ্ন। আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান দ্রুত নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে—এর অন্যতম কারণ এই দায়িত্বহীন ও অদূরদর্শী নেতৃত্ব। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে জনগণ যে প্রজ্ঞা, মর্যাদা ও কূটনৈতিক ভারসাম্য প্রত্যাশা করে, ড. ইউনুসের কর্মকাণ্ড তাতে চরম হতাশা ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

আরো পড়ুন

সদ্য প্রকাশিত