Share
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় বিএনপি–জামাত জোটের গোপন তৎপরতার চিত্র আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। সম্প্রতি উপজেলার এক বিএনপি নেতার বাড়ি থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ২৭টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ছিল স্বয়ংক্রিয় রাইফেল, দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গুলি—যা শুধু একটি ব্যক্তিগত বাড়ির নয়, বরং একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি–জামাত–এনসিপি চক্র রাউজানসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে গোপনে অস্ত্র মজুত করে আসছিল। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, নাশকতা, এবং আসন্ন নির্বাচনে সহিংসতা ছড়ানোই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। হঠাৎ পরিচালিত এ অভিযানেই ধরা পড়ে তাদের সেই ভয়ংকর পরিকল্পনা।
এই ঘটনার পর রাউজানসহ সারাদেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ প্রশ্ন তুলছে—যদি একজন নেতার বাড়ি থেকেই এত বিপুল অস্ত্র মেলে, তাহলে উপজেলাজুড়ে আরও কত গোপন অস্ত্রভান্ডার লুকিয়ে আছে? কোথা থেকে আসছে এই অস্ত্র, কারা দিচ্ছে অর্থ, আর কোন শক্তি এর পেছনে কাজ করছে—এমন প্রশ্ন এখন সর্বত্র।
দেশের নাগরিক সমাজ মনে করছে, ২০০১–২০০৬ সালের সেই অন্ধকার সময়ের ছায়া আবার ঘনিয়ে আসছে—যখন বোমা হামলা, গুপ্তহত্যা ও সংখ্যালঘু নির্যাতনের মাধ্যমে দেশকে আতঙ্কের রাজ্যে পরিণত করা হয়েছিল। রাউজানের এই ঘটনা যেন সেই অতীতের ভয়াবহতারই পুনরাবৃত্তি ঘটানোর চেষ্টা।
বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে চলেছে। এমন সময়ে অস্ত্রভান্ডারের এই আবিষ্কার শুধু আইনশৃঙ্খলার জন্য নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও গভীর হুমকি।
দেশের সচেতন জনগণ এখন একক কণ্ঠে বলছে—জামাত, শিবির ও এনসিপি ঘনিষ্ঠদের অস্ত্র গুদামের বিরুদ্ধে সারাদেশে কঠোর অভিযান চালাতে হবে। কারণ, সন্ত্রাস ও সহিংসতার রাজনীতি বাংলাদেশের জনগণ আর দেখতে চায় না। দেশের অগ্রযাত্রা রক্ষার দায়িত্ব এখন সকলের—কার হাতে দেশ নিরাপদ, সেটি চিনে নেওয়ার সময় এসেছে।
আরো পড়ুন

