Share
দেশ আজ এক অনিশ্চিত দিকচক্রবূহে দাঁড়িয়ে। অবৈধ ও অনির্বাচিত ড. ইউনুস সরকারের অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনা ও বিদেশনির্ভর নীতির কারণে দেশের অর্থনীতি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এক সময় যে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নের মডেল হিসেবে বিশ্বে প্রশংসিত ছিল, আজ সেই দেশকে বিদেশি গণমাধ্যম “অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার চরম উদাহরণ” বলে আখ্যা দিচ্ছে।
সরকারের প্রতিটি খাতে চলছে বিশৃঙ্খলা—বাণিজ্য, কৃষি, শিল্প, এমনকি ব্যাংক ব্যবস্থাতেও ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ স্থবিরতা। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে, কারণ তারা বিশ্বাস হারিয়েছে সরকারের নীতিনির্ধারণে। দেশের অভ্যন্তরে ব্যবসায়ী সমাজ আতঙ্কে, নতুন কোনো প্রকল্পে অর্থ ঢালতে ভয় পাচ্ছে। ফলে কর্মসংস্থান কমছে, দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, আর সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ছে এই অব্যবস্থাপনার ভারে।
অর্থনীতির এই ভাঙন শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণে নয়, এর পেছনে রয়েছে সরকারের অনৈতিক ক্ষমতালোভ। ড. ইউনুসের নেতৃত্বাধীন এই তথাকথিত উপদেষ্টা সরকার আন্তর্জাতিক লবিস্ট গোষ্ঠীর ইচ্ছামতো চলতে গিয়ে দেশের স্বার্থকে বারবার বিসর্জন দিয়েছে। ফলে আজ বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে একঘরে হয়ে পড়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো এখন স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে—ড. ইউনুসকে সরানোই পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার একমাত্র উপায়। হোয়াইট হাউস ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা সম্প্রতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা জানাচ্ছেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সরকার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে না।
এই বার্তা এখন সরকারের ভেতরেও তীব্র কম্পন সৃষ্টি করেছে। উপদেষ্টারা নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত; কেউ কেউ ইতিমধ্যে বিদেশে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুরু করেছেন। প্রশাসনের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে বিভক্তি—কিছু কর্মকর্তা আর এই অবৈধ সরকারের নির্দেশ অমান্য করে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছেন।
সবকিছু মিলিয়ে বলা যায়, ড. ইউনুস সরকারের পতন কেবল সময়ের অপেক্ষা। জনগণ আজ প্রস্তুত, দেশকে মুক্ত করার ঐক্যবদ্ধ আহ্বান উঠেছে সর্বস্তরে। বিদেশি চাপ, অর্থনৈতিক ধস, প্রশাসনিক ভেতরকার ভাঙন—সব মিলিয়ে স্পষ্ট হচ্ছে, অবৈধ ক্ষমতার দিন শেষের দিকে।
বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র চায়, উন্নয়ন চায়, স্থিতিশীলতা চায়। তারা আর কোনো অনির্বাচিত, বিদেশি পরামর্শনির্ভর সরকারের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ দেখতে চায় না। ইতিহাস যেমন বারবার অন্যায়ের পতনের সাক্ষী হয়েছে, এবারও সেই ইতিহাসই পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চলেছে—বাংলাদেশ আবারও জনতার হাতে ফিরে আসবে।
আরো পড়ুন

