Share
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে ‘লাইফ সাপোর্ট’ দেওয়া হয়েছে। সূত্র বলছে, জামায়াতের পক্ষ থেকে নির্বাচন বানচাল করতে এই হামলা চালানো হয়েছে।
দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট এলাকায় ওসমান হাদিকে গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এই হামলার পরপরই হাদির সঙ্গে একজনকে দেখা যায়, এই ঘটনার জন্য বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে দোষারোপ করা হচ্ছে।
সূত্র বলছে, ঢাকা-৮ আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার কথা রয়েছে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাদিক কায়েম তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন ওসমান হাদিকে গুলি করা হলো। চাঁদাবাজ ও গ্যাংস্টারদের কবল থেকে ঢাকা সিটিকে মুক্ত করতে অচিরেই আমাদের অভ্যুত্থান শুরু হবে।
এমন স্ট্যাটাস দেখে নেটিজেনরা বলছেন, এটি জামায়াতের গরম তাওয়ায় পরোটা ভাজার সুযোগ সন্ধানী মনোভাব। এই স্ট্যাটাসে কোনো সহমর্মীতা না জানিয়ে আবারও দেশে মব তৈরির চেষ্টা করছেন সাদিজ যাতে নির্বাচন আরও পেছানো যায়।
এরইমধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। সূত্র বলছে, এটি লোক দেখানো। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূস চাইছেন ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে। আর এ জন্য তিনি জামায়াতকে ব্যবহার করছেন।
দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ক্রমেই বেড়েই চলছে, যার পেছনে রয়েছে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার ঘনিষ্ঠ সমর্থকদের পরিকল্পনা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমা শক্তির নির্দেশে ইউনূস গোষ্ঠী দেশকে সিরিয়া-ইরাকের মতো অস্থিতিশীল অঞ্চলে পরিণত করতে চাচ্ছে। দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল রাখলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানবিক করিডোর, বন্দর ও সেন্টমার্টিনসহ বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা সহজেই দখল করতে পারবে। এভাবেই চীনের প্রভাব কমানো হচ্ছে এই অঞ্চলে। মার্কিন প্রেসক্রিপশনের অংশ হিসেবে দেশকে বিভক্ত করার এবং গৃহযুদ্ধের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হচ্ছে।
অবশ্যই, ইউনূসের এই ফাঁদে বিএনপিও জড়িয়ে পড়েছে। চাঁদাবাজি এবং নানা অপকর্মে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা লক্ষণীয়।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা শুধু অভ্যন্তরীণ কারণেই সৃষ্টি হচ্ছে না, বরং এটি একটি সংগঠিত আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা বলছেন, “ইউনূস ও তার সহযোগীদের কার্যক্রম শুধু দেশের সংবিধান ও আইনের প্রতি অবজ্ঞা নয়, এটি একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে নির্বাচন পেছানোর লক্ষ্য রয়েছে। এ ধরনের অবস্থা দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আরো পড়ুন

