Share
নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের বিভিন্ন এতিমখানায় দানের উদ্দেশ্যে প্রপ্তি বছর দুম্বার মাংস পাঠায় সৌদি আরব। দুর্লভ এই মাংসের স্বাদ গ্রহনের সুযোগ এদেশে তেমন একটা নেই। কোরবানির সময় দুম্বা পশুর হাটে পাওয়া গেলেও দাম অত্যন্ত চড়া। ফলে এই মাংস সাধারণের নাগালের বাইরেই বলা যায়। কিন্তু সৌদি আরবে এই মাংসের উৎপাদন বেশি, বাংলাদেশের এতিমখানাগুলোর জন্য তাই প্রতিবছর এই মাংস পাঠায় যাতে পিতৃমাতৃহারা শিশুরা এই মাংসের স্বাদ পেতে পারে।
কিন্তু এই এতিমদের চাইতেও দুস্থ-গরীব-অসহায় ব্যাক্তিরা আছেন যারা এই মাংস বিতরনের কাজে জড়িত। জেলা প্রশাসনের এই নিপীড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারিরা সৌদি থেকে আসা মাংসে নিজেদের হক আছে ভেবে ভাগাভাগি করে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে এতিম শিশুরা তাদের জন্যে আসা মাংস চোখেও দেখতে পাচ্ছে না।
মূল সমস্যাটা হচ্ছে জেলা প্রশাসনের কর্মচারিরাও অনেক গরীব। তাদেরও দুম্বার মাংস খাওয়ার অধিকার আছে বলে আমরা মনে করি। কিন্তু তারা তো সমাজের উচ্চ পর্যায়ের গরীব। তাই এই গরীবদের জন্য সান্ডার মাংস পাঠানো হোক। কারণ আমরা জানি যে সান্ডার মাংস কফিলের ছেলে-মেয়েরা অর্থাৎ সৌদি সমাজের উচু স্তরের লোকেরা খায়। তাই ইজ্জত-সম্মান বিবেচনা করে প্রশাসনের জন্য সান্ডা পাঠানো হোক আর এতিমদের জন্য দুম্বা।
আশা করি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ প্রস্তাবটি বিবেচনা করে দেখবেন। এরজন্য প্রয়োজনে ইউনুস ৫ দিনের সৌদি সফরে গিয়ে সান্ডা খামারিদের থ্রি-জিরো তত্ত্ব বুঝিয়ে আসতে পারেন।
আরো পড়ুন

