Friday, January 30, 2026

জামালপুরের স্বতন্ত্র প্রার্থী গ্রেফতার, এই কি সুষ্ঠুভোটের নমুনা নাকি গণতন্ত্র বিরোধীতা?

Share

মাদারগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৩ আসনে গত ২৩ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র ক্রয় করার অপরাধে গ্রেফতার হয়েছেন।

ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলাল জামালপুর পৌর শহরের মৃধাপাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ-১ এর একটি দল ডেভিল হান্ট-২ পরিচালনার নামে তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় এবং পরে বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার দেখায়। ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলালের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগ করে, যে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। অথচ জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন দাবিটি সত্য নয়।

দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকের আহমেদের বক্তব্য থেকে জানা যায়, ‘আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলালের ছবি রয়েছে। তবে তিনি উপদেষ্টা কিনা জানা নেই।’ তবে কি শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে ছবি থাকার কারণেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হেলালকে গ্রেফতার করেছে ফ্যাসিস্ট ইউনূস প্রশাসন?

ফ্যাসিস্ট ইউনূস ক্ষমতা দখলের পর তাকে ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর অপসারণ করা হয় ভাইস চেয়ারম্যানের পদ থেকে। তারপর থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী না হওয়া পর্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলাল কোন মামলার আসামী ছিলেন না। যেই তিনি জনতার ম্যান্ডেট নিয়ে গণতন্ত্রের পথে আবারো হাঁটতে চেয়েছেন তখনই বাধা হয়ে দাড়ালো ফ্যাসিস্ট ইউনূস গং। দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে দেখতে চায়, রাষ্ট্র ক্ষমতার দখলদার ইউনূস জনগণের এ ন্যায্য দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে, এখন কি তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও দাড়াতে পারবে না?

জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার হেলালুর রহমান হেলালের প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার হয়,এখানেই ভয় পেয়ে যায় স্বৈরাচারী-ফ্যাসিস্ট ইউনূসের প্রশাসন। তড়িঘড়ি করে ডেভিল হান্ট-২ এর শোষণতন্ত্র পরিচালনা করে নিরীহ এ মানুষটাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়৷ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কতটুকু মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে বিষয়টি এখন অত্যন্ত সুস্পষ্ট, তাই অবৈধ সরকারের অধীনে এ অবৈধ নির্বাচনকে আপামর জনতাও বর্জন করবে।

আরো পড়ুন

সদ্য প্রকাশিত