Share
বাংলাদেশের একটা সময় ছিল যখন জামায়াত মানেই আগুন-সন্ত্রাস আর রাজপথ রক্তে রাঙানো। ২০০১-০৬ সালের সেই অপশাসনের ভয়ংকর স্মৃতি এখনো তাজা। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থেকে আবারও তারা মাঠে নেমেছে। ক্ষমতার ভাগ পেয়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে সর্বত্র। কিন্তু চরিত্র বদলায়নি এক চুলও। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় এবার তাদের লোলুপ দৃষ্টি গিয়ে পড়েছে মুরগির বিষ্ঠাতেও। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন।
দেশের মাটি-মানুষের কথা ভুলে গিয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির-সেক্রেটারি নেমেছেন চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসে। মুরগির বিষ্ঠার ব্যবসা নিয়ে বিরোধ, মারামারি, শেষ পর্যন্ত দ্রুত বিচার আইনে মামলা। রোববার জেলা জজ আদালত কোনোরকম ছাড় না দিয়ে দলের আমির মাওলানা ফজলুল হক শামীম, সেক্রেটারি ডা. আব্দুর রাজ্জাক আর কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল মজিদকে সোজা কারাগারে পাঠিয়েছেন। জামিন পর্যন্ত নামঞ্জুর।
ঘটনা এতটাই নোংরা যে স্থানীয় সংসদ সদস্যের ভাইও এ মামলা থেকে রক্ষা পাননি, তাঁর বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। অথচ এই জামায়াত নেতারাই দিনরাত ইসলামের দোহাই দেন। অথচ সাধারণ মানুষের রক্ত চুষতে মুরগীর বিষ্ঠাও ছাড়ছেন না। এই সেই জামায়াত, যাদের হাত আবারও রাষ্ট্রক্ষমতার লাঠিতে।
জনগণের ভোটে নয়, তাসবিহ ঘুরিয়ে তারা এখন দেশে মরুর কুখ্যাত শরীয়াহ কায়েমের স্বপ্ন দেখে। অথচ তাদের কারবার চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসের। ফুলবাড়িয়ার মানুষের বিতৃষ্ণা এবার চরমে। এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে, সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যেই বলছেন, “জামায়াত আবারও সেই ২০০১ সালের ভয়ংকর রূপে ফিরছে, তবে এবার মুরগী বিষ্ঠায় ধরা খেয়েছে!”
আদালতের রায় সাময়িক স্বস্তি দিলেও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় বসে আছেন, তাঁরা কি এই নোংরামির বিচার শেষ পর্যন্ত করবেন? নাকি আবারও আঁতাত করে বাঁচিয়ে দেবেন এই অপশক্তিকে? ফুলবাড়িয়ার মুরগির বিষ্ঠার দুর্গন্ধ যেন সারা দেশের নাকে লাগছে।
আরো পড়ুন

