ইউনূসের শাসনামলে নির্যাতন-বৈষম্যে কোণঠাসা দেশের হিন্দুরা

Share

শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাকপক মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনামলে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন থামছেই না। সেইসঙ্গে তারা হচ্ছে চরম বৈষম্যের শিকার। সম্প্রতি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) একাডেমিক ক্যালেন্ডারে সরস্বতী পূজার ছুটি পূর্বঘোষিত থাকা সত্ত্বেও ‘বি ইউনিট’-এর ভর্তি পরীক্ষা ওই দিনই আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিক্ষার্থী ও সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র সমালোচনা দেখা দিয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, ধর্মীয় উৎসবের দিন পরীক্ষা নেওয়া সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের প্রতি অসংবেদনশীলতা প্রকাশ করে এবং এটি ধর্মীয় সংবেদনশীলতা উপেক্ষার উদাহরণ।

ক্যাম্পাসের কিছু শিক্ষক-শিক্ষার্থী দাবি করেছেন, প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব থাকতে পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো মন্তব্য জানায়নি।

সমালোচকরা বলছেন, একটি গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে ধর্মীয় উৎসবকে সম্মান জানানো রাষ্ট্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নৈতিক দায়িত্ব। পরীক্ষার সময়সূচি ধর্মীয় উৎসবের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের শিকার হতে পারেন বলেও তাঁদের মত।

এদিকে বরিশালে ১৭ বছর ৯ মাস বয়সী এক হিন্দু কিশোরীকে তার সামনে তজেলে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। পরিবার জানায়, গত ৬ নভেম্বর ২০২৫ দুপুরে স্থানীয় মো. সান মাঝি ও তার সহযোগী কিশোরী সৃষ্টি সাহাকে মোটরসাইকেলে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মেয়েটিকে উদ্ধার করা যায়নি বলে জানায় পরিবার। মামলার একমাত্র আসামিকেও এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং প্রশাসনের ধীরগতি তদন্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তাঁরা বলেন, সংখ্যালঘু কিশোরীদের টার্গেট করে এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে, যা সামাজিক অস্থিরতা তৈরি করছে।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা দাবি করেছেন, কিশোরীকে উদ্ধারে অভিযান চলছে এবং বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

সদ্য প্রকাশিত