Share
বাংলাদেশে জামায়াত ইসলামের আড়ালে ধর্মীয় রাজনীতি চালাচ্ছে, কিন্তু তাদের কর্মকাণ্ড ইসলামের মূল চেতনাকে বিকৃত করছে। তারা ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে। জামায়াতের শীর্ষ নেতারা নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ভুয়া “মওলানা” বা “অধ্যাপক” পদবী ব্যবহার করছে। অনিয়মিত বেসরকারি কলেজের কয়েক বছরের ক্লাসকে ভিত্তি করে এই পদবী ব্যবহার করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ধর্মের প্রতি ও সাধারণ মুসলিমদের বিশ্বাসের প্রতি সরাসরি প্রতারণা।
জামায়াতের কর্মকাণ্ড ইসলামের মূল শিক্ষার বিকৃতি ঘটাচ্ছে। তারা যাকাত ও ফেতরা নিয়ে বিভ্রান্তিকর দাবি করছে, মহানবীর নামে মিথ্যাচার করছে এবং মহান সৃষ্টি কর্তাকে হিন্দু দেবদেবীর সঙ্গে তুলনা করছে। তারা নারীদের অধিকারকে হরণ করছে এবং তাদের সমাজে সমান মর্যাদা দেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করছে। ধর্মের নামে নারীর অবমূল্যায়ন মুসলিম সমাজের জন্য অগ্রহণযোগ্য, এটি নারীর মর্যাদা ও মানবাধিকারের প্রতি সরাসরি আঘাত।
তাদের সাম্প্রদায়িক মনোভাব দেশের স্বাধীনতা ও সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করছে। তারা এমন একটি মুসলিম রাষ্ট্রের ধারণা প্রচার করছে যেখানে অন্যান্য ধর্মের মানুষদের অধিকার সীমিত হবে। এটি দেশের সামাজিক শান্তি, সহাবস্থান ও ধর্মীয় সংহতির জন্য মারাত্মক হুমকি। মুসলিম সমাজের মধ্যেও তাদের কার্যক্রম বিভ্রান্তি ও ঘৃণার জন্ম দিচ্ছে, কারণ তারা ইসলামের নামে বিভাজন ও বৈষম্যকে বৈধতা দিচ্ছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এখনই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। ভুয়া পদবী ব্যবহার, ধর্মীয় উস্কানি এবং নারীর অধিকার হরণের প্রচেষ্টা অবিলম্বে প্রতিহত করতে হবে। দেশের জনগণ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে, সকল ধর্ম ও লিঙ্গের মানুষ সমান অধিকার উপভোগ করতে পারে তা নিশ্চিত করা সরকারের মৌলিক কর্তব্য।
জামায়াতের ভুয়া ধর্মীয় পরিচয় ও ধর্মীয় রাজনীতি মুসলিম সমাজের জন্য বিষাক্ত। তারা ধর্মকে ব্যবহার করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে, নারীদের অধিকার হরণ করছে এবং সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করছে। তাদের কর্মকাণ্ডে মুসলিম সমাজে ঘৃণা ও প্রতিরোধ জন্মানো স্বাভাবিক। দেশের নিরাপত্তা, ধর্মীয় সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি রক্ষার জন্য এখনই কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য।
আরো পড়ুন

