‘অপারেশন দমন’-এর নামে দেশে আবারও উগ্র স্বাধীনতা-বিরোধী শক্তির বিভীষিকা!

Share

১৯৭১ সালের পরাজিত অপশক্তি ও তাদের দোসরেরা আবারও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর আঘাত হানার ঘৃণ্য পরিকল্পনায় মেতে উঠেছে। আগামী নভেম্বরী ‘বিপ্লবী সরকার’ গঠনের বাহানায় দেশের শান্তি, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়ে এবং বাহাত্তরের সংবিধান ছুড়ে ফেলে উগ্রবাদী শাসন কায়েমের মাস্টারপ্ল্যান ফাঁস হয়েছে।

রাষ্ট্রবিরোধী ও উগ্রবাদী চক্রান্তের মূল দিকগুলো

‘অপারেশন দমন’ ও টার্গেটেড কিলিং: ১৯৭১-এর মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত গোলাম আযমের পুত্র আবদুল্লাহিল আমান আজমির নেতৃত্বে এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীর সুনির্দিষ্ট ছকে ৬৪ জেলায় রাজনৈতিক নেতাদের ‘টার্গেটেড কিলিং’ ও মিথ্যা মামলায় পুলিশি হয়রানির ছক আঁকা হয়েছে।

বিভাগীয় উগ্রবাদ ও ‘জুলাই সনদ’-এর আড়ালে শরিয়তি শাসন: ‘জুলাই সনদ’-কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে প্রগতিশীল রাজনীতি স্তব্ধ করা এবং দেশকে ধর্মান্ধ রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা স্পষ্ট।

উগ্রপন্থী তোষণ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা: ভারতের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ও সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পূজামণ্ডপে পরিকল্পিত হামলার রক্তচক্ষু দেখা যাচ্ছে।

পরিকল্পিত রিজিম চেঞ্জ ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত: ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে শুরু হওয়া দেশের অস্থিরতা ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত যে কোনো স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা ছিল না, বরং বিদেশি ‘ডিপ স্টেট’ ও স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের সূক্ষ্ম অপারেশন ছিল—তা আজ দিবালোকের মতো স্পষ্ট।

বিএনপি সরকারকে উৎখাত করে দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারার অঘোষিত ‘তালেবানি রাষ্ট্র’ বানানোই এখন স্বাধীনতা বিরোধী সহ বাহিরের অপ-শক্তির লক্ষ্য । মুক্তিযুদ্ধের রক্তে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে আবারও পাকিস্তানপন্থী কিংবা উগ্রবাদী শক্তির রাজত্ব কায়েম হতে দেওয়া হবে না। ১৯৭১-এর পরাাজিত শক্তির এই পুনরুত্থানকে এদেশের প্রগতিশীল জনতা এক ইঞ্চিও ছাড় দেবে না!

আরো পড়ুন

সদ্য প্রকাশিত