Share
বাংলাদেশে ধর্ম এখন একদম পণ্য। আর এই পণ্যের সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ী হলো মাদ্রাসা শিক্ষক ও মসজিদের ইমাম। মোটা অঙ্কের বেতন, বাসায় পাঠানো মাছ-মাংস-ডিম-দুধ, শবে বরাত-শবে মিরাজের দাওয়াত, এসবের মধ্য দিয়ে তাদের শরীর হচ্ছে চর্বির গোডাউন। পরিশ্রম নেই বললেই চলে। এই বাড়তি কামনাই তারা মেটাচ্ছে মাদ্রাসার নিষ্পাপ শিশুদের উপর। হুজুর ডেকে বাড়িতে খাওয়ালে সোয়াব হবে, এই কুসংস্কার থেকে তাই বেরিয়ে আসুন, ধর্মপ্রাণ মুমিন ভাইয়েরা।
আপনার মৃত বাবা-মায়ের জন্য হুজুরের মোনাজাতে কোনো লাভ নেই। মোনাজাতে সত্যিই কাজ হলে সন্তান হিসেবে আপনি দুই ফোঁটা চোখের পানি ফেললেই তা কাজ করত। প্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য আরবিতে সুরা পড়ে দোয়া ধরলে কিছুই হয় না। প্রয়োজনে বাংলায় আল্লাহর কাছে মিনতি করুন। তিনি সব ভাষা বোঝেন। হুজুরের দোয়ার চেয়ে নিজের জন্য নিজে দোয়া করুন। হুজুরদের অহেতুক মাছ-মাংস-ডিম-দুধ খাইয়ে যে কাম তৈরি করাচ্ছেন, সেটাই আপনার শিশুদের উপর প্রয়োগ করছে নিমকহারাম এই লিল্লাহখোর মোল্লারা।
মসজিদ কমিটির সদস্যরা যারা ইমাম-মুয়াজ্জিনের খাবার বাড়ি থেকে পাঠান, তারা এখন থেকে একদম ফুল নিরামিষ খাবার পাঠাবেন। মা-বাবা আর অসহায় ব্যক্তি ছাড়া কারো দোয়া কাজে লাগে না, কারণ বাকিরা মন থেকে দোয়াই করে না। বরং মানুষের বদ দোয়া কাজে লাগে। প্রকৃত ধার্মিক কখনো অন্যের কাছে খাবারের আশা করে না, তারা সৃষ্টিকর্তার উপর ভরসা করে।
মোল্লারা আপনার ভিক্ষার টাকায় ব্যাংক ব্যালান্স করবে, আপনার বাসায় ভালো খাবার খাবে, গায়ে চর্বি জমিয়ে গণ্ডায় গণ্ডায় বিয়ে করে জনসংখ্যা বাড়াবে। ধর্মকে ব্যবসায় পরিণত করে উদ্যোক্তা তৈরির এই কারখানা বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি সফল। এটুকু বোঝার সেন্স নিশ্চয়ই আছে আপনাদের, তাই না?`
আরো পড়ুন

