Share
সৌদি আরামকোর পাঠানো এলএনজিবাহী কার্গোটিকে ‘পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ’ বলছে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট, কোম্পানিটির বর্তমান উপদেষ্টা সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। গত বুধবার বিএনপি সরকারের জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পিটার হাসের সাথে বৈঠক করেও সৌদির জাহাজ থেকে এলএনজি খালাসের অনুমোদন পাননি। পিটার হাস এ কার্গো থেকে সামিটের ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি খালাসে সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ফলে বৈরি আবহাওয়া সহ নানা অজুহাত উপস্থাপনই হয়ে যায় অথর্ব বিএনপি সরকারের অস্ত্র।
দৈনিক যুগান্তর বলছে, সরকার বৈরী আবহাওয়ার ‘অজুহাত’ দিলেও মূলত এই আপত্তির কারণেই তিন দিন ধরে কার্গোটি বহির্নোঙরে ভাসছে। ফলাফল, গ্যাসের সরবরাহে ভয়াবহ ধস; শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও বাসাবাড়িতে হাহাকার। গ্যাস সরবরাহ কমে দৈনিক ১৮৮ কোটি ঘনফুটে নেমে এসেছে, যা ১০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
কক্সবাজারের দুটি এলএনজি টার্মিনালই পরিচালনা করছে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট। বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হলেও ২০২১ সালে এ ধরনের কার্গোতে এলএনজি আমদানি করা হয়েছে এবং এক্সিলারেটই সেই কার্গো থেকে এলএনজি খালাস করেছে।
বাংলাদেশকে দাসে পরিণত করেছে ইউনূস গং ও বিএনপি সরকার। এক মার্কিন কোম্পানির অপত্তির মুখে টার্মিনালে গ্যাস খালাস করতে পারছে না সৌদির এলএনজি কার্গো। দেশের জনগণ সংকটে বিপর্যস্ত, সংকটে ডুবে যাচ্ছে দেশ; অথচ সংকট থেকে দেশকে মুক্ত না করে বিএনপি যেভাবেই হোক ক্ষমতাকে সেইভ করতে চাচ্ছে, দেশবিক্রি করে হলেও।
আরো পড়ুন

